‘তৌহিদী জনতা’ তথা ‘বিক্ষুব্ধ মুসল্লিদের’ দাবির মুখে বাংলাদেশের দিনাজপুর ও জয়পুরহাটে নারীদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়া হয় সম্প্রতি। বিষয়টা শুধু খেলা বন্ধতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। খেলাকে কেন্দ্র করে এক জেলায় তৌহিদী জনতা ও আয়োজকদের মধ্যে সংঘর্ষও হয়।
‘তৌহিদী জনতা’ নামে হামলা কারা করছে?
অপর জেলায় নারীদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করতে মাঠে হামলা করা হয় এবং মাঠের চারপাশে দেওয়া টিনের বেড়া ভাঙচুর করা হয়। এই দুটো ঘটনাতেই কয়েকটি ইসলামপন্থী দলের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় প্রশাসন। বুধবার ঢাকাতেই ‘মুসল্লি’দের চাপে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের একটি অনুষ্ঠান তাকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মূলত, গত পাঁচই অগাস্টের পর দেখা যাচ্ছে যে তৌহিদী জনতা বা বিক্ষুব্ধ মুসল্লিদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই এরকম ঘটনা ঘটছে। তার মাঝে কখনও আছে বিভিন্ন নারীকেন্দ্রিক অনুষ্ঠান পণ্ড করা, কখনও বা মাজারে ভাঙচুর।

ক্ষমতা গ্রহণের ছয় মাস হতে যাওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে যদিও বলা হয়েছে এসব ঘটনা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু দৃশ্যত তার কোনো প্রমাণ মিলছে না। বরং, এ ধরনের ‘মবের’ ঘটনা ঘটেই চলেছে। প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, এ ধরনের হামলায় আসলে জড়িত কারা? কেন তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: