ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি সরকারের অনুমতি পেলেই,ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির খবরে নড়েচড়ে বসেছেন দিনাজপুরের হিলির পেঁয়াজ আমদানিকারকরা। ভারতের নাসিক জাতের পেঁয়াজবোঝাই বেশ কয়েকটি ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি সরকারের অনুমতি পেলেই
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির অনুমতি (আইপি) পেলেই পেঁয়াজ আমদানি করা হবে।
হিলির কয়েকজন আমদানিকারক জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলেই আমদানি শুরু করা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন বলেন, ‘ভাই, আমরা শুনছি ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির খবর। কিন্তু কবে থেকে শুরু হবে এটা জানি না। তবে ভারতের হিলিতে নাসিক জাতের পেঁয়াজবোঝাই বেশ কয়েকটি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে। এটা আন-অফিসিয়াল। তবে এলসি পেলেই আমদানি শুরু হবে।’
জানতে চাইলে হিলি আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, ‘আমরা সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি। অনুমতি দিলেই আমদানি হবে। না দিলে কিছুই করার নেই।’

ভারতের অভ্যন্তরে পেঁয়াজের ট্রাকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা অন্য রাষ্ট্রের ব্যাপার। এর বেশি কিছু জানি না।’
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের কাছে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। আইপি দিলে এটার তালিকা আমি দেখতে পাই। তবে তোড়জোড় চলছে।’
এদিকে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের দাম কমেছে। গতকাল যে পেঁয়াজ ৭৫-৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে তা আজ ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিদিন আড়ত থেকে পেঁয়াজ কিনে এনে বিক্রি করি। পেঁয়াজের আমদানিতে দাম কমলে, লোকসান হলে কিছুই করার নেই।
আরও পড়ুন:
১ thought on “ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি সরকারের অনুমতি পেলেই”