আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় দিনাজপুর জেলার নদ-নদী, দিনাজপুর জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে রংপুর বিভাগের অন্তর্গত ।
দিনাজপুর জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-
দিনাজপুর জেলা ১৭৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। জনশ্রুতি আছে, জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার নামানুসারেই রাজবাড়িতে(রাজবাটী) অবস্থিত মৌজার নাম হয় “দিনাজপুর”। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসকরা ঘোড়াঘাট সরকার বাতিল করে নতুন জেলা গঠন করে এবং রাজার সম্মানে জেলার নামকরণ করে “দিনাজপুর”। দিনাজপুর জেলার উত্তরে ঠাকুরগাঁও জেলা ও পঞ্চগড় জেলা, দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলা ও জয়পুরহাট জেলা, পূর্বে নীলফামারী জেলা ও রংপুর জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। এই জেলার মোট আয়তন প্রায় ৩৪৩৮ বর্গ কিলোমিটার।

দিনাজপুর জেলার নদ-নদী:-
দিনাজপুর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হলেও অনেক নদী ও পানি সম্পদের অধিকারী। চাষাবাদের জন্য দিনাজপুরের মোহনপুরে আত্রাই নদীতে রাবার ড্যাম দেওয়া হয়েছে।
আত্রাই নদী
আত্রাই নদী ভারতের-বাংলাদেশ একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ২৬৯ কিলোমিটার এবং ভারতের অংশের দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৭৭ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক আত্রাই নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ০২।
কাঁকড়া নদী
কাঁকড়া নদী বা আত্রাই নদী (দিনাজপুর) বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৯৬ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক কাঁকড়া নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ০৩।
কাঁচমতি নদী
কাচমতি নদী বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্তর্গত দিনাজপুর জেলার একটি আঞ্চলিক নদী। নদীটি কাচাই নামে অধিক পরিচিত।উৎসদিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ৫ নং সুন্দরপুর ইউনিয়ন দিয়ে উত্তর-দক্ষিণ অভিমুখে ঢেপা নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই ইউনিয়নের গড় মল্লিকপুর মৌজার পূর্ব মল্লিকপুর গ্রামে ঢেপা নদীর পূর্ব পাড় (অক্ষাংশ ২৫°৪৭’১৫” উত্তর; দ্রাঘিমাংশ ৮৮°৪০’৩২” পূর্ব) হতে কাচমতি বা কাচাই নদীর উৎপত্তি।
করতোয়া নদী
করতোয়া নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা এবং বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১৮৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৩৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক করতোয়া নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১৩।
ইছামতি নদী
ইছামতি নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ইছামতি নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ০৮।
খড়খড়িয়া নদী
খড়খড়িয়া নদী বা তিলাই নদী বাংলাদেশের উত্তরাংশের নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৭৫ কিলোমিটার, প্রস্থ ৩০ মিটার যা কোন্দলের নিকট পরিমাপকৃত এবং সেখানে গভীরতা ৬ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ২৬৫ বর্গকিলোমিটার। সৈয়দপুর, পার্বতীপুর উপজেলা শহর এই নদীর পাড়েই অবস্থিত।

ছোট যমুনা নদী
ছোট যমুনা নদী বাংলাদেশের উত্তরাংশের দিনাজপুর জেলা, জয়পুরহাট ও নওগাঁ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৫৬ কিলোমিটার। নদীটির ফুলবাড়ি এলাকায় প্রস্থ ১০৫ মিটার এবং গভীরতা ৬ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ১৬০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ছোট যমুনা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪৬।
টাঙ্গন নদী
টাংগন নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। এটি পুনর্ভবা নদীর একটি উপনদী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক টাংগন নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪৮।
ঢেপা নদী
ঢেপা নদী বাংলাদেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরে প্রবাহিত একটি আঞ্চলিক নদী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ঢেপা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৫০। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলা’র নিজপাড়া ও পাল্টাপুর ইউনিয়ন এর উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী শম্ভুগাঁও গ্রামে আত্রাই নদীর পশ্চিম পাড় (অক্ষাংশ ২৫°৫৩’৪৩” উত্তর; দ্রাঘিমাংশ ৮৮°৪৩’২৪” পূর্ব) হতে শাখানদী হিসেবে ঢেপা নদীর উৎপত্তি। উৎপত্তিস্থল থেকে পূর্বদিকে কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর বীরগঞ্জ পৌরএলাকার সন্নিকটে (অক্ষাংশ ২৫°৫১’৫৭” উত্তর; দ্রাঘিমাংশ ৮৮°৩৯’৫২” পূর্ব) ছোট ঢেপা নদী-এর জলস্রোত বুকে ধারণ করেছে। ঢেপা ও ছোট ঢেপার মিলনস্থলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক সুইসগেট নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে উক্তস্থানে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। যা মৎস অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত।
পুনর্ভবা নদী
পুনর্ভবা বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২২৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১০২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক পুনর্ভবা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭২।
যমুনেশ্বরী নদী
দেওনাই নদী বা চাড়ালকাটা নদী বা যমুনেশ্বরী নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের নীলফামারী ও রংপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। নদীটির দৈর্ঘ্য ১১৬ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৫০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৫৭। যমুনেশ্বরী নদী অববাহিকার আয়তন ৭০০ বর্গকিলোমিটার। প্রাচীন বরেন্দ্রভূমির এই অঞ্চল ফসল ও ফলমূল উৎপাদনে বহুকাল বিখ্যাত। এই নদীতে কোনো সেচ প্রকল্প নেই। যমুনেশ্বরী নদীতে জোয়ার-ভাটার প্রভাব নেই এবং সাধারণত বর্ষা হলে বন্যা হয়।
আখিরা-মাচ্চা নদী
আখিরা-মাচ্চা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৮৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২৬ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক আখিরা-মাচ্চা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১।

করতোয়া নিম্ন নদী
করতোয়া নদী বা করতোয়া নিম্ন নদী বা নিম্ন করতোয়া নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১২২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৪৪ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বন্যাপ্রবণ নদীটির প্রবাহের প্রকৃতি বারোমাসি এবং নদীতে জোয়ারভাটার প্রভাব নেই। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক করতোয়া (নীলফামারী) নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১৪।
কালা নদী
কালা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৫০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক কালা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১৭।
গভেশ্বরী নদী
গর্ভেশ্বরী নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার একটি নদী। গর্ভেশ্বরী আত্রাই নদীর একটি আন্তঃশাখা। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২৭ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক গর্ভেশ্বরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ২৬।
ঘিরনাই নদী
ঘিরনাই নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নীলফামারী জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৭৬ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ঘিরনাই নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৩৬।
চিরি নদী
চিরি নদী বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, জয়পুরহাট ও রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ এবং ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৮ কিলোমিটার, প্রস্থ ৫০ মিটার, গভীরতা ২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক চিরি নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪১। এই নদী অববাহিকার আয়তন ১৫৪ বর্গকিলোমিটার।

তুলসীগঙ্গা নদী
তুলসীগঙ্গা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জয়পুরহাট, বগুড়া এবং নওগাঁ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১০০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৭০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক তুলসীগঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৫৬।
নর্ত নদী
নর্ত নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক নর্ত নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৬২।
নলশীসা নদী
নলশীসা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলা এবং রংপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৬ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৪০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক নলশীসা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৬৩।
পাথরঘাটা নদী
পাথরঘাটা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক পাথরঘাটা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭০।
বেলান নদী
বেলান নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক বেলান নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৮৮।
ভুল্লী নদী
ভূল্লী নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও এবং দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৮ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ভূল্লী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৯২। এই নদীটির বিকাশ ঘটে ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়া ইউনিয়ন থেকে।
মাইলা নদী
মাইলা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর এবং দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৫০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক মাইলা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৯৬। নদী অববাহিকার আয়তন ৮০ বর্গ কিমি।
রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া নদী
রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া নদী বা তুলাই নদী বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও এবং দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৬৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১০৩।
হারাবতী নদী
হারাবতী নদী বা হারামতী নদী বাংলাদেশের জয়পুরহাট ও দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীর প্রবাহিত পথের দৈর্ঘ্য ৪২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২৩ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক হারাবতী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১১৪।
ঢেপা নদী
ঢেপা নদী বাংলাদেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরে প্রবাহিত একটি আঞ্চলিক নদী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ঢেপা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৫০।
আরও পড়ুূনঃ
১ thought on “দিনাজপুর জেলার নদ-নদী”